Nagad merchant account opening | নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট নিয়ে বিস্তারিত

nagad merchant account opening

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় সম্মানিত পাঠক, আজকের এই আর্টিকেল টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় Nagad merchant account opening নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

কিভাবে আপনি নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলবেন তা নিয়েই আজকের এই পোস্ট। আশা করি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।nagad merchant account opening

Nagad merchant account opening

নগদ মার্চেন্ট একাউন্টের সুবিধা মূলত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ভােগ করতে পারেন।

নগদ merchant একাউন্ট ব্যবহার করে আপনার ব্যবসা কে আরো প্রসারিত করতে পারবেন খুব সহজেই।

Nagad merchant একাউন্ট খুলতে পারবেন আপনি নিজে নিজেই খুব সহজেই।

Nagad merchant account opening process

মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে এবং কিছু কাগজপত্র লাগবে।

Nagad merchant একাউন্ট খুলতে হলে যা যা কাগজ পত্র লাগে তা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • দোকানের হালনাগাদকৃত ট্রেড লাইসেন্স
  • ভোটার আইডি কার্ড এর ফটোকপি
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো

নগদ উদ্দোক্তা একাউন্ট দুই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুলতে পারেন। নিকটস্থ নগদ সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে এবং ডিস্ট্রিবিউটের সাথে যোগাযোগ করে।

সার্ভিস পয়েন্টের মাধ্যমে নগদ এজেন্ট / নগদ উদ্দোক্তা হওয়ার নিয়ম

নগদ এজেন্ট একাউন্ট বা নগদ উদ্দোক্তা হওয়ার জন্য অবশ্যই নগদ সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন।

নগদ কাস্টমার কেয়ার নাম্বারে ১৬১৬৭ এ কল করে নিকটস্থ সার্ভিস পয়েন্টে ঠিকানা সংগ্রহ করুন।

তারপর উপরোক্ত কাগজপত্র নিয়ে সার্ভিস পয়েন্টে গিয়ে নগদ এজেন্ট বা নগদ উদ্দোক্তা একাউন্ট খুলতে পারেন।

নগদ ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে নগদ এজেন্ট / নগদ উদ্দোক্তা হওয়ার নিয়ম

ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে যোগাযোগ করতে হলে অবশ্যই যেকোনো এজেন্ট এর কাছ থেকে সহায়তা নিতে পারেন।

পার্শ্ববর্তী যেকোনো নগদ এজেন্ট এর কাছ থেকে ডিস্ট্রিবিউটরের নাম্বার সংগ্রহ করুন।

| নগদ একাউন্ট এর সুবিধা সম্পর্কে জানতে…

তারপর ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে নগদ এজেন্ট বা নগদ উদ্দোক্তা একাউন্ট খুলতে পারেন।

আপনার নিকটস্থ ডিস্ট্রিবিউট এর ঠিকানা জানতে ক্লিক করু।।

নগদ মার্চেন্ট একাউন্টের সুবিধা

নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে যেমন কাস্টমারদের সুবিধা হয় ঠিক তেমনি ব্যবসায়ীদের ও সুবিধা হয়।

যদি কোনো দোকানে নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট থাকে তাহলে দোকান থেকে কেনাকাটা করে খুব সহজেই যেকোনো

নগদ গ্রাহক মার্চেন্ট একাউন্টে কিয়া’র কোড স্কেন করে টাকা পেমেন্ট করতে পারবে।

এতে করে যেমন দোকান্দারের টাকা রাখার প্রয়োজন পরে না গ্রাহক তার টাকা অনুযায়ী পেমেন্ট দিয়ে যায় ফলে দোকানে ঝামেলা হয় না।

এর পাশাপাশি টাকা ভাংতি নিয়েও নেই ঝামেলা পুয়াতে হয় না। বেশী কাস্টমার হলেও সামাল দেওয়া যায় খুব সহজেই। গ্রাহকদের সময় খরচ হয় না।

| নগদ মুনাফা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন 

খুব সহজেই নগদ প্রতিনিধির কাছ থেকে মার্চেন্ট একাউন্ট এর টাকা উত্তোলন করা যায়। আর টাকা উত্তোলন করতে কোনো রকম চার্জ দিতে হয় না।

আশাকরি নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিতে পেরেছি এছাড়াও যেকোনো বিষয়ে সহায়তা পেতে অবশ্যই নগদ হেল্পলাইন নাম্বার যোগাযোগ করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top